• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমিরাতে রেড অ্যালার্ট জারি, ঘন কুয়াশায় কমতে পারে দৃশ্যমানতা ইসরায়েলের নির্বাচনে সমানে-সমান নেতানিয়াহু-আইজেনকোট, ঝুলন্ত সংসদের আভাস নেতানিয়াহুর পরাজয় ঘোষণা ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নেতানিয়াহু জোট এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনে চরম অনিশ্চয়তা অন্ধ্র-ওড়িশায় আছড়ে পড়লো ‘অর্ণব’, সরিয়ে নেওয়া হলো প্রায় দুই লাখ মানুষ মিরপুর-১-এ ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা ও দোকান উচ্ছেদ অভিযান চলছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনে আগ্রহী জাপান হাতীবান্ধা থেকে দৈনিক সংবাদ উন্মোচনের লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি হলেন মোঃ নাজমুল হুদা ইয়েমেনের হুথিদের হামলা বন্ধে সৌদির ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব! ২৮ অক্টোবরের রাশিফল: কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে?

উপকূল এক্সপ্রেসে শতাধিক টিকিট অবিক্রীত, তবু আসন পূর্ণ থাকার অভিযোগ

মোঃ রাকিব হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি, বাংলাদেশঃ- / ৬৭ Time View
Update : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মোঃ রাকিব হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি, বাংলাদেশঃ-

ঢাকা-নোয়াখালী রুটের আন্তঃনগর উপকূল এক্সপ্রেসে বিপুলসংখ্যক টিকিট অবিক্রীত থাকার পরও ট্রেনের প্রায় প্রতিটি আসনে যাত্রী থাকার অভিযোগ উঠেছে। এতে বাংলাদেশ রেলওয়ে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট যাত্রী ও স্থানীয়রা।
অভিযোগ অনুযায়ী, নিয়মিতভাবে উপকূল এক্সপ্রেসের দুই শতাধিক টিকিট অবিক্রীত থেকে যাচ্ছে। অথচ ট্রেনে আসন সংকট দেখা যাচ্ছে এবং প্রায় প্রতিটি আসনেই যাত্রী থাকছেন। এতে টিকিট বিক্রি ও যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, টিকিট অবিক্রীত দেখানো হলেও বাস্তবে অর্থের বিনিময়ে যাত্রীদের আসনে বসানো হচ্ছে। এভাবে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে রেলওয়ের নির্ধারিত টিকিট ব্যবস্থার বাইরে অর্থ লেনদেন হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ট্রেনের কিছু স্টাফের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত ও প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে।
অভিযোগের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—আজকের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪১৪ টাকার টিকিট অবিক্রীত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। অথচ একই সময়ে ট্রেনের আসনগুলোতে যাত্রী থাকার অভিযোগ রয়েছে। এই হিসাব সঠিক হলে বিপুল পরিমাণ সম্ভাব্য রাজস্ব রেলওয়ের কোষাগারে জমা না পড়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট নির্ধারিত অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিক্রি করা হয় এবং যাত্রীকে ট্রেন, শ্রেণি ও আসনের প্রাপ্যতা অনুযায়ী টিকিট ক্রয় করতে হয়। রেলওয়ে যাত্রীদের টিকিট কালোবাজারি থেকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে।
উপকূল এক্সপ্রেস ঢাকা-নোয়াখালী রুটের গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেন। সাম্প্রতিক প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেনটি ঢাকা থেকে নোয়াখালী এবং নোয়াখালী থেকে ঢাকার মধ্যে চলাচল করে। বিভিন্ন প্রকাশিত রেলওয়ে-ভিত্তিক তথ্যসূত্রে ট্রেনটির নম্বর ৭১১/৭১২ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, টিকিট বিক্রির তথ্য, ট্রেনের আসন বিন্যাস, যাত্রী তালিকা, অনলাইন ও কাউন্টার বিক্রির হিসাব এবং ট্রেনে দায়িত্ব পালনকারী স্টাফদের কার্যক্রম পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে।
এ অবস্থায় অভিযোগটি তদন্ত করে অবিক্রীত টিকিটের বিপরীতে বাস্তবে কতজন যাত্রী ট্রেনে ভ্রমণ করেছেন, তাঁদের টিকিটের উৎস কী, কার মাধ্যমে আসন বরাদ্দ হয়েছে এবং কোনো অর্থ সরকারি হিসাবের বাইরে লেনদেন হয়েছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা