দৈনিক সংবাদ উন্মোচন,নিউজ ডেস্কঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের পর সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের তৎপরতা ও নির্বাচনী সমীকরণ নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে।
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের (মোমবাতি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মুহাম্মদ আজাদ হোসাইনের নাম আলোচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদ ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর এনসিপি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। অন্যদিকে, ১৯ অক্টোবর ইশরাক হোসেন প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পরদিন রাষ্ট্রপতি তাঁর পদত্যাগ গ্রহণ করেন। এসব ঘটনায় রাজধানীর রাজনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।
মাঠ ও অনলাইন প্রচারণায় নজর
সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনসংযোগ, সাংগঠনিক তৎপরতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা নির্বাচনী আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, স্থানীয় সমস্যা তুলে ধরা এবং নাগরিক সেবার বিষয়ে নিজেদের পরিকল্পনা প্রকাশের মাধ্যমে প্রার্থীরা জনসমর্থন অর্জনের চেষ্টা করতে পারেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান, সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাংগঠনিক শক্তি এবং ভোটারদের মনোভাব নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে কে কতটা জনসমর্থন অর্জন করবেন, তা নির্ধারণের মতো নির্ভরযোগ্য নির্বাচনী তথ্য এখনো সামনে আসেনি।
ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস?
ইশরাক হোসেনের রাজনৈতিক অবস্থান, আজাদ হোসাইনের সম্ভাব্য প্রার্থিতা এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নির্বাচনী তৎপরতা ঘিরে ঢাকা দক্ষিণে একাধিক রাজনৈতিক শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতার আলোচনা রয়েছে। তবে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে এখনই নিশ্চিত ত্রিমুখী লড়াই বলা যাচ্ছে না।
নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র নির্ভর করবে প্রার্থী তালিকা, রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত, নির্বাচনী পরিবেশ এবং ভোটারদের সমর্থনের ওপর। ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচন ঘিরে আগামী দিনের রাজনৈতিক তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
দৈনিক সংবাদ উন্মোচন