• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমিরাতে রেড অ্যালার্ট জারি, ঘন কুয়াশায় কমতে পারে দৃশ্যমানতা ইসরায়েলের নির্বাচনে সমানে-সমান নেতানিয়াহু-আইজেনকোট, ঝুলন্ত সংসদের আভাস নেতানিয়াহুর পরাজয় ঘোষণা ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নেতানিয়াহু জোট এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনে চরম অনিশ্চয়তা অন্ধ্র-ওড়িশায় আছড়ে পড়লো ‘অর্ণব’, সরিয়ে নেওয়া হলো প্রায় দুই লাখ মানুষ মিরপুর-১-এ ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা ও দোকান উচ্ছেদ অভিযান চলছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনে আগ্রহী জাপান হাতীবান্ধা থেকে দৈনিক সংবাদ উন্মোচনের লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি হলেন মোঃ নাজমুল হুদা ইয়েমেনের হুথিদের হামলা বন্ধে সৌদির ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব! ২৮ অক্টোবরের রাশিফল: কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে?

অন্যের নামে জমির রেকর্ড? নিজের নামে ফেরাতে যা করবেন

মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, নিজস্ব প্রতিবেদক:- / ২৩ Time View
Update : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

নিজের কেনা কিংবা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি অন্যের নামে রেকর্ড হয়ে গেলে তা সংশোধনের আইনি সুযোগ রয়েছে। তবে এ জন্য জমির মালিকানার প্রমাণ, প্রয়োজনীয় দলিলপত্র এবং রেকর্ডে ভুলের ধরন যাচাই করে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।
জমির রেকর্ডে অন্যের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পেছনে জরিপের ভুল, নামজারি না করা, উত্তরাধিকারীদের নাম বাদ পড়া কিংবা জাল দলিলের মাধ্যমে প্রতারণার মতো কারণ থাকতে পারে। তাই এমন পরিস্থিতিতে প্রথমেই জমির কাগজপত্র যাচাই করে সমস্যার প্রকৃতি নির্ধারণ করা জরুরি।
যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন
জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য সাধারণত নিবন্ধিত ক্রয়দলিল, পূর্ববর্তী খতিয়ান, সংশ্লিষ্ট মৌজার দাগ ও খতিয়ান নম্বর, নামজারির কাগজপত্র, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমির ক্ষেত্রে ওয়ারিশ সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বণ্টননামা সংগ্রহে রাখতে হবে। পাশাপাশি ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রসিদ ও দখলসংক্রান্ত প্রমাণও সহায়ক হতে পারে।
ভুলের ধরন অনুযায়ী নিতে হবে ব্যবস্থা
খতিয়ানে নামের বানান, জমির পরিমাণ কিংবা হিসাবের সাধারণ ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করা যেতে পারে।
অন্যদিকে, জরিপের চূড়ান্ত খতিয়ানে প্রকৃত মালিকের পরিবর্তে অন্যের নাম রেকর্ড হলে বিরোধের ধরন অনুযায়ী ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান ও নির্ধারিত সময়সীমা বিবেচনায় নিতে হবে।
জাল দলিল বা প্রতারণার মাধ্যমে জমি অন্যের নামে রেকর্ড করা হলে প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করে উপযুক্ত আইনি প্রতিকার চাইতে হবে। আবার নিজের নামে নিবন্ধিত দলিল থাকা সত্ত্বেও অন্য ব্যক্তির নামে নামজারি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট নামজারি মামলার নথি ও আদেশ যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
শুধু খতিয়ান বা করের রসিদই চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
জমির খতিয়ানে কারও নাম থাকলেই সব ক্ষেত্রে তাঁকে জমির চূড়ান্ত মালিক বলা যায় না। প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে নিবন্ধিত দলিল, পূর্ববর্তী খতিয়ান, উত্তরাধিকারসংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক প্রমাণ যাচাই করতে হয়। একইভাবে, শুধু ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ বা জমির দখল সব ক্ষেত্রে মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট নয়।
কোথায় যোগাযোগ করবেন
জমির রেকর্ড, নামজারি ও মালিকানাসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিস, জেলা প্রশাসনের ভূমি শাখা অথবা ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অফিসে যোগাযোগ করা যেতে পারে। জটিল মালিকানাসংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ভূমি আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।
জমি অন্যের নামে রেকর্ড হয়ে গেলে অযথা সময়ক্ষেপণ না করে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র সংগ্রহ এবং রেকর্ডের অবস্থা যাচাই করে সঠিক আইনি প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাওয়াই নিরাপদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা