
মো: ইমরান আলী,স্টাফ রিপোটার(নীলফামারি):
২রা জানুয়ারি( শুক্রবার) সরেজমিনে গিয়ে আমরা জানতে পারি ডিমলায় নাউতারা নদী থেকে বালু উত্তোলনের বৈধ অনুমতি না থাকলেও দেদার বালু উত্তোলন ও বিক্রি করা হচ্ছে।শুস্ক মৌসুমে বিক্রির জন্য ঢিপি আকারে বাড়ির পাশে মজুদ করার ও অভিযোগ রয়েছে বালু ব্যাবসায়ী রব্বানির বিরুদ্ধে। তিনি নটাবাড়ি গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে। তিনি দির্ঘদিন ধরে এই বালু সিন্ডিকেটের সাথে জরিত। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী সেতু, কালভার্ট, ড্যাম, ব্যারাজ, বাঁধ, সড়ক, মহাসড়ক, বন, রেললাইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা আবাসিক এলাকা থেকে সর্বনিম্ন এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু তোলা যাবে না। এ ছাড়া বালু বা মাটি উত্তোলন বা বিক্রির জন্য খননের ফলে কোনো নদীর তীর ভাঙনের শিকার হলেও বালু তোলা যাবে না। আইন অমান্যকারী দুই বছরের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা গেছে, নাউতারা নদী থেকে অবৈধ বালু তোলার পেছনে একটি শক্তিশালী চক্র আছে তারা দীর্ঘদিন ধরে এই বালু বিভিন্ন জায়গায় চড়া দামে বিক্রি করতেছে। এই চক্রের মুলহোতা ডিমলা নটাবাড়ি গ্রামের বালু ব্যাবসায়ি রব্বানি গং তিনি স্হানীয় নেতা এবং প্রশাসন ম্যানেজ করে প্রভাব খাটিয়ে সেই চক্রের সঙ্গে চুক্তি করে বালু তুলছে। কৈপাড়া ও নটাবাড়ির যে স্হান থেকে বালু তোলা হচ্ছে, সেটি পাউবোর নদীর দু ধারের বাধ যা নাউতারা নদীর আওতাধীন। সেখানকার স্হানীয় বাসিন্দারা দৈনিক সংবাদ উন্মোচনকে বলেন, নাউতারা নদী থেকে বালু তোলা ফসলি জমি ও রাস্তাঘাটের জন্য হুমকি।কারন নদীর ন্যাব্যতা ও দু ধারে বাধ না থাকার কারনে প্রতিবছর বন্যায় আশেপাশের ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে এতে কৃষকেরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।এছাড়াও বালু পরিবহনে একাধিক ট্রলি ব্যাবহারের কারনে রাস্তাঘাট ভেঙে গর্ত হচ্ছে এতে বর্ষাকালে রাস্তাঘাট মানুষের চলাচলের অনুপুযোগী হয়ে পড়বে।এছাড়া আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদের হুমকি প্রদান,অশ্লিল ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভিতি প্রদর্শন করে আমরা নির্বিকার। প্রশাসনকে জানালে তারা কোন ব্যাবস্হা গ্রহন করে না, প্রশাসন যেন নিরব তাদের চোখ যেন পড়ে না।তাই এলাকাবাসী দ্রুত এই বালু চক্রের বিরুদ্ধে আইনয়ানুগ ব্যাবস্হা গ্রহনে প্রসাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।