• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমিরাতে রেড অ্যালার্ট জারি, ঘন কুয়াশায় কমতে পারে দৃশ্যমানতা ইসরায়েলের নির্বাচনে সমানে-সমান নেতানিয়াহু-আইজেনকোট, ঝুলন্ত সংসদের আভাস নেতানিয়াহুর পরাজয় ঘোষণা ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নেতানিয়াহু জোট এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনে চরম অনিশ্চয়তা অন্ধ্র-ওড়িশায় আছড়ে পড়লো ‘অর্ণব’, সরিয়ে নেওয়া হলো প্রায় দুই লাখ মানুষ মিরপুর-১-এ ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা ও দোকান উচ্ছেদ অভিযান চলছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনে আগ্রহী জাপান হাতীবান্ধা থেকে দৈনিক সংবাদ উন্মোচনের লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি হলেন মোঃ নাজমুল হুদা ইয়েমেনের হুথিদের হামলা বন্ধে সৌদির ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব! ২৮ অক্টোবরের রাশিফল: কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে?

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারা চুক্তি প্রকাশের দাবি ইসলামী ফ্রন্টের, জাতীয় স্বার্থে ১০ দফা প্রস্তাব

মুহাম্মদ আবদুল হাকিম, ইসলামিক গবেষক ও কলামিস্টঃ- / ৩৭ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

মুহাম্মদ আবদুল হাকিম, ইসলামিক গবেষক ও কলামিস্টঃ-

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের জন্য পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার চুক্তির পূর্ণাঙ্গ শর্ত প্রকাশ, আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত, শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ এবং জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকলে চুক্তির সংশ্লিষ্ট ধারা আইনসম্মতভাবে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, চট্টগ্রাম মহানগর।
বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সুলতান আহমদ হলে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত ‘চট্টগ্রাম বন্দর: জাতীয় স্বার্থে রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা কোথায়? নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা প্রদান, অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থাপিত প্রবন্ধে এসব দাবি জানানো হয়। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ আবদুর রহিম।
প্রবন্ধে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এ বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল এনসিটি দীর্ঘ ১৫ বছরের জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেবল একটি বাণিজ্যিক চুক্তির বিষয় নয়; এর সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব, কৌশলগত নিরাপত্তা, দেশীয় ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অর্থনৈতিক স্বার্থ জড়িত।
প্রবন্ধে আরও বলা হয়, আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে উন্নয়নের নামে রাষ্ট্রের কৌশলগত সম্পদের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, জাতীয় নিরাপত্তা কিংবা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। টার্মিনালের মালিকানা রাষ্ট্রের হাতে থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনাগত নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল তথ্যের নিরাপত্তা, রাজস্ব বণ্টন এবং সংকটকালীন সময়ে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ক্ষমতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট নিশ্চয়তা থাকা প্রয়োজন।
চুক্তির স্বচ্ছতা ও আর্থিক জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি
চুক্তির স্বচ্ছতা ও আর্থিক জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে প্রবন্ধে বলা হয়, অগ্রিম অর্থ ও বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোনো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির প্রকৃত আর্থিক সুফল নির্ধারণ করা যায় না। ১৫ বছরে রাষ্ট্রের সম্ভাব্য আয়, পরিচালন ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগের প্রকৃতি এবং রাজস্ব বণ্টনের শর্ত বিবেচনায় নিয়ে নিরপেক্ষ অর্থনৈতিক মূল্যায়ন করতে হবে। চুক্তির জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ধারা, ট্যারিফ কাঠামো, বিনিয়োগের সময়সূচি, জরিমানার বিধান ও বিরোধ নিষ্পত্তির শর্ত জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
প্রবন্ধে এনসিটি পরিচালনায় দেশীয় প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও আন্তর্জাতিক অপারেটরের সক্ষমতা তুলনা করে নিরপেক্ষ ব্যয়-সুবিধা বিশ্লেষণ প্রকাশের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দেশীয় জনশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি, বাধ্যতামূলক প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং চুক্তির মেয়াদ শেষে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় টার্মিনাল পরিচালনার সক্ষমতা অর্জনের জন্য কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।
শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ
বন্দর শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রবন্ধে বলা হয়, আধুনিকায়ন ও অটোমেশনের অজুহাতে কোনো শ্রমিকের কর্মসংস্থান, বেতন-ভাতা, পেনশন, ভবিষ্যৎ তহবিল, চিকিৎসাসেবা ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না। নতুন প্রযুক্তি চালুর পাশাপাশি কর্মরত শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে।
জাতীয় নিরাপত্তা ও ডিজিটাল তথ্যের সুরক্ষা
জাতীয় নিরাপত্তা ও ডিজিটাল তথ্যের সুরক্ষা প্রসঙ্গে প্রবন্ধে বলা হয়, বন্দরের মাধ্যমে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পপণ্য, জ্বালানি, রাসায়নিক কাঁচামাল ও কৌশলগত পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। ফলে টার্মিনালের অপারেশনাল ডাটাবেজ, বাণিজ্যিক তথ্য এবং নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর রাষ্ট্রের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা জরুরি।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে সংরক্ষণ, নিয়মিত সাইবার নিরাপত্তা নিরীক্ষা এবং জাতীয় জরুরি অবস্থা বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের অধিকার সুস্পষ্ট করার দাবি জানানো হয়।
প্রবন্ধে আরও বলা হয়, শুধু টার্মিনালের পরিচালনব্যবস্থা পরিবর্তন করে বন্দরের সব সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। পণ্য খালাসের দীর্ঘসূত্রতা কমাতে বন্দর কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ব্যাংক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও পরিবহন ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বিত ডিজিটাল সেবা চালু করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতি তিন মাস অন্তর টার্মিনালের কার্যসম্পাদন, জাহাজের অপেক্ষার সময়, পণ্য ওঠানো-নামানোর গতি, সেবামাশুল ও শ্রমিকদের কর্মপরিবেশসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে।
জাতীয় বন্দরনীতি প্রণয়নের আহ্বান
জাতীয় বন্দরনীতি প্রণয়নের আহ্বান জানিয়ে প্রবন্ধে বলা হয়, দেশের কৌশলগত বন্দর অবকাঠামো পরিচালনায় রাষ্ট্রীয় সংস্থা, দেশীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি অপারেটরের অংশগ্রহণের বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। সংসদে উন্মুক্ত আলোচনা ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত জাতীয় বন্দর নীতিমালা ও অংশীদারত্ব আইন প্রণয়ন করতে হবে।
এনসিটি চুক্তি ইতোমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়ে থাকায় আবেগনির্ভর অবস্থানের পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক পর্যালোচনা ও আইনসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। স্বাধীন আইন বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মাধ্যমে চুক্তির শর্তাবলি পর্যালোচনা করে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ন হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পুনর্বিবেচনা ও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ১০ দফা দাবি
গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থাপিত প্রবন্ধে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, চট্টগ্রাম মহানগরের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে নিম্নোক্ত ১০ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়—
১. এনসিটি চুক্তির পূর্ণাঙ্গ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ধারা, রাজস্ব কাঠামো ও বিনিয়োগের সময়সূচি প্রকাশ করতে হবে।
২. নিরপেক্ষ অর্থনীতিবিদদের মাধ্যমে চুক্তির নিট বর্তমান মূল্য (এনপিভি) নিরূপণ ও আর্থিক নিরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে।
৩. সংসদে উন্মুক্ত বিতর্কের মাধ্যমে সমন্বিত জাতীয় বন্দর নীতিমালা ও অংশীদারত্ব আইন প্রণয়ন করতে হবে।
৪. এনসিটিতে কর্মরত শ্রমিকদের চাকরি, বেতন-ভাতা, পেনশন ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার সুরক্ষিত রাখতে হবে।
৫. দেশীয় জনবলকে স্বাবলম্বী করতে বাধ্যতামূলক প্রযুক্তি হস্তান্তর ও প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
৬. টার্মিনালের অপারেশনাল ডাটাবেজ ও গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল তথ্য বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে রেখে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৭. জাতীয় জরুরি অবস্থা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ ও টার্মিনাল অধিগ্রহণের অধিকার সুস্পষ্ট করতে হবে।
৮. বন্দর, কাস্টমস ও ব্যাংকের সমন্বয়ে ডিজিটাল সিঙ্গেল উইন্ডো ব্যবস্থা চালু করে পণ্য খালাসের দীর্ঘসূত্রতা কমাতে হবে।
৯. প্রতি তিন মাস অন্তর টার্মিনালের কার্যসম্পাদন সূচক (কেপিআই) ও মাশুলসংক্রান্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
১০. চুক্তির কোনো ধারায় জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ন হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে তা আইনসম্মতভাবে পুনর্বিবেচনা ও সংশোধন করতে হবে।
প্রবন্ধের উপসংহারে বলা হয়, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিরোধী নয়; বরং এমন উন্নয়ন চায়, যা দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী করবে, দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষিত রাখবে। চট্টগ্রাম বন্দর কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল কিংবা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি নয়; এটি জনগণের রাষ্ট্রীয় আমানত। তাই বন্দরের উন্নয়ন ও পরিচালনার প্রতিটি সিদ্ধান্তে জাতীয় স্বার্থ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
গোলটেবিল বৈঠকে বিশিষ্টজনদের অংশগ্রহণ
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আলহাজ মাওলানা ইউনুছ তৈয়বী যুক্তিবাদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন গোলটেবিল বৈঠক উদ্‌যাপন কমিটির সদস্যসচিব আলমগীর ইসলাম বঈদী। এতে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব অধ্যক্ষ স. উ. ম. আবদুস সামাদ।
আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান ফরিদ, সহকারী দপ্তর সচিব অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম, প্রকাশনা সচিব ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম, প্রচার সচিব মাস্টার আবুল হোসাইন, শ্রম ও কৃষিবিষয়ক সচিব এম. মহিউল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা সিমেন্ট স্টিল মার্চেন্ট গ্রুপের মহাসচিব শেখ সরোয়ার হোসাইন চৌধুরী, বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আরিফ মাহমুদ, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরের আহ্বায়ক আর ইউ হাবিব, চট্টগ্রাম উন্নয়ন ফোরামের মহাসচিব আবু তাহের চৌধুরী, লেখক ও গবেষক হাসান মারুফ রুমি, ইতিহাসবিদ সোহেল মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগের দপ্তর সম্পাদক ও শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা আবদুন নবী আল কাদেরী, সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা শেখ আরিফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন মাহমুদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন; চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ নুর আলম এবং সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা মাস্টার মুহাম্মদ ইউসুফ।
যুবসেনা চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক খোরশেদ ইসলাম সুমন ও সদস্যসচিব ছাদেক হোসেন মানিক; মহানগর উত্তরের সভাপতি হাবিবুল মোস্তফা সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক বশির আহমদ চৌধুরী; ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মুহাম্মদ নুর রায়হান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাব্বির; শ্রমিক ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সভাপতি কামাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান; ছাত্রসেনা মহানগর উত্তরের সভাপতি আলম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা