• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমিরাতে রেড অ্যালার্ট জারি, ঘন কুয়াশায় কমতে পারে দৃশ্যমানতা ইসরায়েলের নির্বাচনে সমানে-সমান নেতানিয়াহু-আইজেনকোট, ঝুলন্ত সংসদের আভাস নেতানিয়াহুর পরাজয় ঘোষণা ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নেতানিয়াহু জোট এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনে চরম অনিশ্চয়তা অন্ধ্র-ওড়িশায় আছড়ে পড়লো ‘অর্ণব’, সরিয়ে নেওয়া হলো প্রায় দুই লাখ মানুষ মিরপুর-১-এ ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা ও দোকান উচ্ছেদ অভিযান চলছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনে আগ্রহী জাপান হাতীবান্ধা থেকে দৈনিক সংবাদ উন্মোচনের লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি হলেন মোঃ নাজমুল হুদা ইয়েমেনের হুথিদের হামলা বন্ধে সৌদির ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব! ২৮ অক্টোবরের রাশিফল: কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে?

মেঘনায় ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু, রামগতিতে প্রস্তুত টাস্কফোর্স

মোঃ মনজুর হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক:- / ১৩৮ Time View
Update : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

মোঃ মনজুর হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশ রক্ষায় লক্ষ্মীপুরের রামগতির মেঘনা নদীসহ নির্ধারিত অভয়াশ্রম এলাকায় ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলবে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে মেঘনায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ থাকবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম হিসেবে মোট ২২ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে ৭ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে।
লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার মেঘনা নদী ইলিশের অভয়াশ্রমের আওতায় রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা ও জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদী ও উপকূলীয় এলাকায় জেলেদের সচেতন করতে মাইকিং, প্রচার-প্রচারণাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে আইন অমান্য করে কেউ নদীতে মাছ ধরতে নামলে তার বিরুদ্ধে মৎস্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞাকালে জেলেদের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তা হিসেবে ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত জেলে পরিবারগুলোকে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা জরুরি। এ সময়ে নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখা গেলে ইলিশের উৎপাদন ও ভবিষ্যৎ মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা