খুলনার কয়রায় শিমলারআইট গ্রামে চলাচলের পথে ঘেরা দেওয়ায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা ব্যাপক মারপিটে ৪ জন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় কয়রা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যাহার নম্বর জিআর-৪৬/২০২৬। মামলার আসামীরা হলেন আঃ হালিম সরদার, জাফর সরদার, সালাম সরদার, আলমগির সরদার, শামছুর সরদার, কাশেম আলী সরদার, বকুল খাতুনসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন।
মামলা সুত্রে জানা যায়, উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের এছার আলী সরদার গংএর চলাচলের পথ জোরপূর্বক দখল করা লইয়া আঃ হালিম সরদার গং এর সহিত দীর্ঘদিন ধরিয়া বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। উক্ত চলাচলের পথকে জোরপূর্বক দখল করাকে কেন্দ্র করিয়া ইতিপূর্বেও উপজেলা নির্বাহী আদালতে এমআর-৩৩/২৪ মামলায় আদালত হালিম সরদার গংদের উক্ত জমিতে প্রবেশিধাকার অস্থায়ী অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দ্বারা বারিত করে। তথাপিও জবর দখলকারীরা উক্ত চলাচলের পথ দখল ও ঘেরা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাধা দেওয়ায় হালিম সরদার গং এছার আলী সরদার, ফরিদা বেগম, মনিরুল, মিনারকে দেশীয় অস্ত্র ধারালো দা, চাইনিজ কুড়াল, শাবল, লোহার রড দিয়া ব্যাপক মারপিট করে গুরুতর আহত করে। তাদেরকে জায়গীরমহল হাসপাতালে তাৎক্ষনিক ভর্তি করালে তাদের অবস্থার চরম অবনতি হইলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। আঘাতের ফলে এছার আলী মাথার হাড় ভেঙ্গে দেবে যাওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অপারেশনের জন্য ভর্তি করান। সেখানে এছার আলী মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ হালিম সরদার ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এলাকার নিরিহ মানুষের জমিজমা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টাসহ নানাভাবে হয়রানি করিয়া আসিতেছে। তারা আরও জানান উক্ত চলাচলের পথ অবৈধভাবে দখল করা ও ঘেরা দেওয়ায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে এছার আলী সরদার গংদের মারপিট করে গুরুতর আহত করেছে। যাহার ফলে ৭ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামী কয়রা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ তাওহিদুল ইসলাম বলেন মামলার তদন্তভার গ্রহন করেছি। আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।