• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
প্রবাসের স্বপ্ন ভেঙে দুই কফিনে ফিরলেন দুই ভাই মিরপুর কলেজের দেয়াল ধসে একজনের মৃত্যু, আহত অন্তত ৭ নতুন স্বপ্নের পথে আলজেব্রোস’২৫: নোয়াখালী সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের বিদায়ের অনন্য এক অধ্যায়ের সমাপ্তি প্রথমবারের মতো ফিল্ডস মেডেলে ভূষিত দুই চীনা গণিতবিদ রামগতি পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা ও নাগরিক সেবা বৃদ্ধিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালী সরকারি কলেজে গণিত বিভাগের তিন মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ইতালিতে ডিজিটাল ওয়ার্ক কন্ট্রাক্ট ব্যবস্থা: প্রবাসী কর্মীদের জন্য নতুন যুগের সূচনা শফিউল বারী বাবুর মৃত্যুবার্ষিকীতে রামগতিতে কোরআন শরীফ বিতরণ ও দোয়া মাহফিল লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৬ ব্যাচের নবীন আইনজীবীদের বরণ অনুষ্ঠিত বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তরুণ প্রার্থী হাফিজুল ইসলামের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা, কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

প্রবাসের স্বপ্ন ভেঙে দুই কফিনে ফিরলেন দুই ভাই

সংবাদ উন্মোচন ডেস্ক : / ৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

জীবিকার সন্ধানে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন লক্ষ্মীপুরের দুই ভাই সজীব ও সুজন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে প্রবাসের সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। সড়ক দুর্ঘটনায় দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর লাশ হয়ে কফিনে ফিরতে হলো তাদের।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টায় লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার গনিপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশে কামারহাট মসজিদ মাঠে দুই ভাইয়ের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। শেষ বিদায়ে স্বজন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও এলাকাবাসীর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

নিহত সজীব ও সুজন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার গনিপুর গ্রামের খলিফা বাড়ির আব্দুল মালেকের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, বড়ো ভাই সজীব দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের দাম্মামে খেজুরের ব্যবসা করতেন। চলতি বছরের শুরুতে ছোট ভাই সুজনকেও তিনি সেখানে নিয়ে যান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুলাই দিবাগত রাতে খেজুরবোঝাই একটি পিকআপ ভ্যানে করে বাগান থেকে ফেরার পথে দাম্মামে একটি সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লরি-ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই দুই ভাই প্রাণ হারান।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে তাদের মরদেহ নিজ গ্রামে পৌঁছায়। দুই ভাইয়ের লাশ পৌঁছালে রাত থেকেই একনজর দেখতে শত শত মানুষ ভিড় জমান। সজীবের স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। পরিবারের প্রধান দুই উপার্জনক্ষম মানুষকে হারিয়ে দিশাহারা পরিবারটি এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সজীব ও সুজন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও অমায়িক ব্যবহারের মানুষ ছিলেন। একই সঙ্গে পরিবারের দুই তরুণের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু পুরো গনিপুর গ্রামেই শোকের আবহ তৈরি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা