খুলনার কয়রার শিমলারআইট গ্রামে অবৈধভাবে চলাচলের পথ দখল করাকে কেন্দ্র করে বাধা দেওয়ার ঘটনায় এছার আলী সরদারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করায় তীব্র প্রতিবাদ এবং জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘এছার আলী সরদার ছিলেন এলাকার একজন সুপরিচিত, সৎ, বিনয়ী ও হাস্যোজ্জ্বল মানুষ । তাকে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে তাতে আজ এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোক, ক্ষোভ ও চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে এই হত্যার হত্যাকারীদের ও তার সহযোগীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।’
মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পক্ষে আরও বক্তব্য রাখেন হাফেজ দিদারুল ইসলাম, হাফেজ ইব্রাহীম খলীল, মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘হত্যাকারী ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারে ফাসি নিশ্চিত করা না হলে এলাকাবাসী আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।’
মানববন্ধনে স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, নিহতের পরিবার ও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য গত ৩১/০৫/২০২৬ তারিখে হত্যাকারী হালিম সরদার সহ তার সহযোগীরা নিহতের চলাচলের পথ অবৈধভাবে দখল ও জোরপূর্বক ঘেরা দেওয়াতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকারী হালিম সরদারের শাবলের আঘাতে মাথার হাড় ভেঙে দেবে গিয়ে গুরুতর আহত হলে প্রথমে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়াও হত্যাকারী ও তার সহযোগীরা নিহতের পরিবারের সদস্যদের ব্যাপক মারপিট করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ আছে। যাহার ফলে কয়রা থানায় মামলা হয়েছে।