হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ১০১ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জি কে গউছের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও তদারকির ফলেই এ অনুমোদন এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শায়েস্তাগঞ্জসহ আশপাশের কয়েক লাখ মানুষের জন্য আধুনিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
সরকার দেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন করে ১৩টি উপজেলায় ১০১ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপনের নীতিগত সম্মতি দিয়েছে। এ তালিকায় শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শায়েস্তাগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপনের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় জনবল সৃষ্টির প্রস্তাব প্রেরণ এবং পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শায়েস্তাগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ জি কে গউছ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করেন এবং নিয়মিতভাবে এর অগ্রগতি তদারকি করে আসছিলেন। তাঁর ধারাবাহিক উদ্যোগের ফলেই এ অনুমোদন মিলেছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।
এ বিষয়ে হুইপ আলহাজ জি কে গউছ বলেন, “শায়েস্তাগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। সরকারের জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্তের ফলে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাস্তবায়নের পথ সুগম হয়েছে। এটি চালু হলে শায়েস্তাগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ নিজ এলাকায় আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন।”
তিনি আরও বলেন, “হবিগঞ্জ-৩ আসনের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। শায়েস্তাগঞ্জের এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চালিয়ে যাব।”
এদিকে, সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন শায়েস্তাগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত প্রকল্পের বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে স্থানীয় জনগণ দোরগোড়ায় আধুনিক, মানসম্মত ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা লাভের সুযোগ পাবেন।