• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ইসলামিক সঙ্গীতশিল্পী সুলতানা হোসেন মীমের জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও দোয়ার জোয়ার রামগতিতে আজ খানকায়ে ছালাম আবাদ শরীফে বিশাল জিকির ও তালিমের মাহফিল নোয়াখালীর সেনবাগে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান, প্রতিদিন ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনা মিরসরাইয়ে উপজেলা যুব কর্মকর্তার সৌজন্য পরিদর্শনে দীপ্ত যুব ফাউন্ডেশন জান্নাতুল বাকী: ইতিহাসের বেদনাবিধুর অধ্যায় ও মুসলিম ঐতিহ্যের স্মৃতি ইতালিতে একের পর এক কমিশন পজিটিভ! আশার আলো দেখছেন বাংলাদেশীরা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের দৃষ্টিতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য প্রবাসের স্বপ্ন ভেঙে দুই কফিনে ফিরলেন দুই ভাই মিরপুর কলেজের দেয়াল ধসে একজনের মৃত্যু, আহত অন্তত ৭ নতুন স্বপ্নের পথে আলজেব্রোস’২৫: নোয়াখালী সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের বিদায়ের অনন্য এক অধ্যায়ের সমাপ্তি

জান্নাতুল বাকী: ইতিহাসের বেদনাবিধুর অধ্যায় ও মুসলিম ঐতিহ্যের স্মৃতি

হাফেজ মাও মোঃ মাকছুদের রহমান (মান্নান), নিজস্ব প্রতিবেদকঃ- / ৩৮ Time View
Update : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

হাফেজ মাও মোঃ মাকছুদের রহমান (মান্নান), নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

মদিনাতুল মুনাওয়ারার পবিত্র জান্নাতুল বাকী মুসলিম উম্মাহর কাছে শুধু একটি কবরস্থান নয়; এটি ইসলামের ইতিহাস, আহলে বাইত, সাহাবায়ে কেরাম ও সালফে সালেহীনের স্মৃতিবিজড়িত এক মহিমান্বিত নিদর্শন। যুগের পর যুগ বিশ্ব মুসলিম গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে এ স্থান জিয়ারত করে আসছেন।
ঐতিহাসিক বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে যে, অতীতে জান্নাতুল বাকীতে বিভিন্ন সম্মানিত ব্যক্তিত্বের কবরের ওপর গম্বুজ ও স্থাপনা বিদ্যমান ছিল। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের বহু আলেমের মতে, এসব স্থাপনা ইবাদতের উদ্দেশ্যে নয়; বরং ইসলামের মহান ব্যক্তিত্বদের স্মৃতি সংরক্ষণ, সম্মান প্রদর্শন এবং জিয়ারতকারীদের পরিচিতির সুবিধার্থে নির্মিত হয়েছিল।
আহলে সুন্নাতের দৃষ্টিতে কবর জিয়ারত সুন্নত এবং তা মানুষকে আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। একই সঙ্গে তারা মনে করেন, নেককার বান্দাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও তাঁদের জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণ ইসলামের মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ইতিহাসে ১৯২৫ সালে জান্নাতুল বাকীর গম্বুজ ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো অপসারণ মুসলিম বিশ্বের একাংশের কাছে গভীর বেদনাদায়ক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। তাঁদের মতে, এর মাধ্যমে শতাব্দীপ্রাচীন ইসলামী ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের দৃশ্যমান নিদর্শন বিলুপ্ত হয়ে যায়।
তবে এ বিষয়টি ইসলামী বিশ্বে দীর্ঘদিন ধরে মতপার্থক্যের বিষয়। বিভিন্ন আলেম ও ধর্মীয় ধারার মধ্যে কবরের ওপর স্থাপনা নির্মাণের বিধান নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে। তাই এ ধরনের বিষয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে, কুরআন, সহিহ সুন্নাহ এবং গ্রহণযোগ্য ঐতিহাসিক সূত্রের আলোকে আলোচনা করাই সমীচীন।
জান্নাতুল বাকী আজও কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য প্রতীক। মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, পারস্পরিক সম্মান এবং জ্ঞানভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমেই ইসলামের ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরা সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা