• রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চার বছরের পথচলার অবসান: চৌমুহনী সরকারি সালেহ আহমেদ কলেজের গণিত বিভাগের ২০২০–২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের আবেগঘন বিদায় জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে লক্ষ্মীপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ ঐতিহ্য ধরে এগিয়ে চলেছে গণিত বিভাগ, চৌমুহনী সরকারি সালেহ আহমেদ কলেজে বিদায় ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা চৌমুহনী সরকারি সালেহ আহমেদ কলেজে গণিত বিভাগের বিদায় ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেশ চালাতে প্রধানমন্ত্রী ব্যর্থ, এভাবে চললে মেয়াদ শেষ করতে পারবে না: নাহিদ জমিতে সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাতীবান্ধায় যুবকের মৃত্যু নীরবে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছে সাতক্ষীরার ‘জামেয়া কাদেরিয়া তাহেরিয়া মাদ্রাসা’ আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এমপি এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজানের সৌজন্য সাক্ষাৎ উত্তর চন্ডিপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মাদক, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে অভিভাবক সমাবেশ লক্ষ্মীপুরে ধারণ করা ‘ইত্যাদি’ প্রচার আজ রাতে

সিকেডিতে বছরে ২৫৩ কিডনি প্রতিস্থাপনের ৩৯ শতাংশেরই দাতা মা

মোঃ মনজুর হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : / ২৪৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

মা দিবসে সন্তানকে নিজের কিডনি উপহার দিয়েছেন শরীয়তপুরের স্কুল শিক্ষিকা মা নাছিমা সুলতানা। ১১ মে রাজধানীর সিকেডি ইউরোলজী হাসপাতালে বিখ্যাত কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এই কিডনি দান সম্পন্ন হয়েছে।

প্রায় সাত বছর আগে স্বামীকে হারিয়ে এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে কাটছিলো নাছিমা সুলতানার জীবন। কিন্তু সম্প্রতি বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় ধরা পড়ে তার ২৮ বছর বয়সী ছেলে নাছিম জাহানের দুইটি কিডনিই বিকল হয়ে পড়েছে। তরুণ নাছিমের শরীরে কিডনিজনিত রোগ সেভাবে স্পষ্ট না হতেই তাকে নিজের একটি কিডনি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মা নাছিমা সুলতানা। নানান চড়াই উৎরাইয়ের পর গত রবিবার দিবাগত রাতে তাদের কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পন্ন হয়। সুষ্ঠুভাবে কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টের পর বর্তমানে চিকিৎসকের বিশেষ তত্ত্বাবধানে রয়েছেন মা-ছেলে দুজনই।

অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম নিজ হাতে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ১০০র বেশি কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট করেছেন। তিনি বাংলাভিশনকে জানান, দেশে পুরুষদের কিডনি দাতার বড় অংশই মা। তার প্রতিষ্ঠান সিকেডি ইউরোলজী হাসপাতালের কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টের তথ্য যাচাই করে দেখা যায়, ২০২৫ সালে হাসপাতালটিতে ২৫৩ জন মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছে। যার মধ্যে ৯৮ জন কিডনি দাতাই ছিলেন মা। অর্থাৎ ওই বছরের কিডনি দাতার ৩৯ শতাংশই ছিলেন মা।

অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বাংলাভিশনকে বলেন, সন্তানের জন্য মায়েরাতো নিজের জীবন দিতেও কখনো দ্বিধা করেন না। আমরা আমাদের এখানে যে পরিমাণ কিডনি প্রতিস্থাপন করি তার প্রায় ৪৫ শতাংশেরই কিডনি দাতা থাকেন মা। এবারের মা দিবসে যেই মা তার সন্তানকে কিডনি দিয়েছেন এটি তেমনই একটি ঘটনা। যদিও এটি দিবস হিসেবে পরিকল্পিতভাবে হয়নি। আলহামদুলিল্লাহ কিডনি দাতা ও গ্রহীতা ‍দুজনই ভালো আছেন।

সন্তানের যে কোনো বিপদে সবার আগে মা-ই এগিয়ে আসেন। নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও চেষ্টা করেন সন্তানকে রক্ষা করতে। কিডনি দানের এই পরিসংখ্যান দেয় তারই প্রমাণ। তাই শুধু মা দিবসে নয়, সবসময় মাকে যত্ন নেওয়া এবং তাকে কোনোভাবেই কষ্ট না দেওয়ার পরামর্শ এই চিকিৎসকের


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা