• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
প্রবাসের স্বপ্ন ভেঙে দুই কফিনে ফিরলেন দুই ভাই মিরপুর কলেজের দেয়াল ধসে একজনের মৃত্যু, আহত অন্তত ৭ নতুন স্বপ্নের পথে আলজেব্রোস’২৫: নোয়াখালী সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের বিদায়ের অনন্য এক অধ্যায়ের সমাপ্তি প্রথমবারের মতো ফিল্ডস মেডেলে ভূষিত দুই চীনা গণিতবিদ রামগতি পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা ও নাগরিক সেবা বৃদ্ধিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালী সরকারি কলেজে গণিত বিভাগের তিন মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ইতালিতে ডিজিটাল ওয়ার্ক কন্ট্রাক্ট ব্যবস্থা: প্রবাসী কর্মীদের জন্য নতুন যুগের সূচনা শফিউল বারী বাবুর মৃত্যুবার্ষিকীতে রামগতিতে কোরআন শরীফ বিতরণ ও দোয়া মাহফিল লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৬ ব্যাচের নবীন আইনজীবীদের বরণ অনুষ্ঠিত বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তরুণ প্রার্থী হাফিজুল ইসলামের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা, কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

সংবাদ উন্মোচন ডেস্ক : / ১৭৪ Time View
Update : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, সোহেল রানা শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করে, এটার প্রমাণ মিলেছে। জবানবন্দীতে রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার সব অপরাধের দায় স্বীকার করেন সোহেল রানা। এসময় স্ত্রী স্বপ্না খাতুন তাকে পালাতে সহযোগিতা করে। এছাড়াও আসামি দোষ স্বীকারোক্তির পর তা প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়নি। দুইজনই একই অপরাধে অপরাধী।

একইসঙ্গে আসামিদের যথাযথ শাস্তি না দিলে আদালত ব্যর্থ হবে। তাদের অপরাধ সংশোধনযোগ্য নয় বলেও জানিয়েছেন আদালত।

এর আগে, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে। এরইমধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে আদালতে আনা হয়। পরে দুজনকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

গত বৃহস্পতিবার এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক মাসরুর সালেকীন ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। দেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম কোনো ধর্ষণ ও হত্যা মামলা, যার বিচারকাজ শেষ হয় চার দিনে। আলোচিত এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ১৬ জন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দাবি, মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হয়েছে। এতে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করেন তিনি।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সোহেল রানার জন্য মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আবেদন করেন।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবী এলাকায় প্রতিবেশী সোহেল রানার বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী, ৮ বছর বয়সী রামিসা আক্তারের শিরশ্ছেদ করা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরদিন রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সাত ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে ছয় দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

পরে ১ জুন শুরু হয় এই মামলার বিচার। ২ জুন রামিসা হত্যা মামলায় তার পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ কর্মকর্তা, চিকিৎসক, তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ১৬ জন সাক্ষ্য দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা