• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জান্নাতুল বাকী: ইতিহাসের বেদনাবিধুর অধ্যায় ও মুসলিম ঐতিহ্যের স্মৃতি ইতালিতে একের পর এক কমিশন পজিটিভ! আশার আলো দেখছেন বাংলাদেশীরা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের দৃষ্টিতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য প্রবাসের স্বপ্ন ভেঙে দুই কফিনে ফিরলেন দুই ভাই মিরপুর কলেজের দেয়াল ধসে একজনের মৃত্যু, আহত অন্তত ৭ নতুন স্বপ্নের পথে আলজেব্রোস’২৫: নোয়াখালী সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের বিদায়ের অনন্য এক অধ্যায়ের সমাপ্তি প্রথমবারের মতো ফিল্ডস মেডেলে ভূষিত দুই চীনা গণিতবিদ রামগতি পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা ও নাগরিক সেবা বৃদ্ধিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালী সরকারি কলেজে গণিত বিভাগের তিন মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ইতালিতে ডিজিটাল ওয়ার্ক কন্ট্রাক্ট ব্যবস্থা: প্রবাসী কর্মীদের জন্য নতুন যুগের সূচনা

বুয়েটে বিরল কৃতিত্ব, একই ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীর সিজিপিএ ৪.০০

মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, নিজস্ব প্রতিবেদক:- / ১১১ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের দুই শিক্ষার্থী আহমদ মাহির সুলতান ও তানযীম আজওয়াদ জামান টানা আট সেমিস্টারে ৪-এর মধ্যে পূর্ণ ৪.০০ সিজিপিএ অর্জন করে বিরল কৃতিত্বের নজির স্থাপন করেছেন। তাঁদের দাবি, বুয়েটের ইতিহাসে একই ব্যাচ ও একই বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর একসঙ্গে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনের ঘটনা এবারই প্রথম।
বুয়েটের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, একটি ব্যাচে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থী আচার্য স্বর্ণপদক লাভ করেন। তবে একই ব্যাচে দুই শিক্ষার্থীর অভিন্ন ৪.০০ সিজিপিএ অর্জনের ঘটনায় স্বর্ণপদক প্রদানের বিষয়টি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
নটর ডেম কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী মাহির বর্তমানে বুয়েটের সিএসই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে তানযীম ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটে প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতে যাচ্ছেন।
দুই শিক্ষার্থীর ভাষ্য, পরিকল্পিত অধ্যয়ন, সময়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং ধারাবাহিক অনুশীলনই তাঁদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। মাহির প্রতিটি কোর্সের মূল্যায়ন পদ্ধতি ও পূর্ববর্তী প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে প্রস্তুতি নিতেন। আর তানযীম নিয়মিত ক্লাস টেস্টে ভালো ফল করে চূড়ান্ত পরীক্ষার চাপ কমিয়ে আনতেন।
একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও ছিলেন সক্রিয়। মাহির নটর ডেম কলেজের লেখক কুঞ্জের সভাপতি ও সাহিত্য সাময়িকীর সম্পাদক ছিলেন। তানযীম ফুটবল, অ্যাথলেটিকস এবং গণিত ক্লাবের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। দুজনই ভায়োলিন বাজাতে আগ্রহী।
তাঁদের থিসিস সুপারভাইজার অধ্যাপক মো. সামসুজ্জোহা বায়েজী বলেন, বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানে টানা আট সেমিস্টার ৪.০০ সিজিপিএ ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন। তাঁর মতে, মাহির ও তানযীম শুধু মেধাবী নন, তাঁরা গবেষণার ক্ষেত্রেও উজ্জ্বল সম্ভাবনাময়।
নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাহির ও তানযীমের পরামর্শ, ভালো ফলের চেয়ে বিষয়ভিত্তিক গভীর জ্ঞান অর্জনকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে গণিত, সমস্যা সমাধান এবং প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষতা অর্জন ভবিষ্যতে সাফল্যের পথকে আরও সহজ করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা