এই দুই শতবর্ষী মা-মেয়ে হলেন ফাতেমা বেগম ও তার মেয়ে মানিকজান। স্বাধীনতার পরপরই স্বামীকে হারান ফাতেমা বেগম। প্রায় এক দশক আগে মারা যান তার একমাত্র ছেলেও। এরপর থেকে মা-মেয়ে একে অপরকে আঁকড়ে ধরেই বেঁচে আছেন।
জাতীয় পরিচয়পত্রে তাদের বয়স কম উল্লেখ থাকলেও স্থানীয়দের দাবি, ফাতেমা বেগমের প্রকৃত বয়স ১২৫ থেকে ১৩০ বছরের কাছাকাছি। প্রতিবেশীরা সাধ্যমতো সহযোগিতা করলেও একটি নিরাপদ আশ্রয়ের স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরেই অপূর্ণ ছিল।
তাদের এমন অসহায় অবস্থার খবর পেয়ে এগিয়ে আসে মানবিক সেবা ফাউন্ডেশন। প্রথমে খাদ্যসহায়তা দেওয়ার পর ঝুঁকিপূর্ণ বসতঘরটি দেখে তাদের জন্য একটি টেকসই ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সংগঠনটি।
নতুন ঘরের খবর পেয়ে আবেগাপ্লুত মা-মেয়ে। শত বছরেরও বেশি সময়ের স্মৃতি, শৈশব, সংসার আর হারিয়ে যাওয়া দিনের গল্প বলতে বলতে তাদের চোখে ফুটে ওঠে স্বস্তির ছাপ।
জীবনের প্রায় পুরোটা সময়ই কেটেছে সংগ্রাম আর অভাবের সঙ্গে লড়াই করে। শেষ বয়সে একটি নিরাপদ ঘরই যেন তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। স্থানীয়দের আশা, সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষ এভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ালে ফাতেমা ও মানিকজানের মতো আরও অনেকের জীবনেও ফিরবে নিরাপত্তা, স্বস্তি ও নতুন আশার আলো।








